পাপাঙ্কুশা একাদশী

এটি আরও বলা হয়: পাশাঙ্কুশা একাদশী

পাপাঙ্কুশা সাধারণত এমন এক অঙ্কুশের ভাবনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয় যা অন্যায় বা পাপকে দমন অথবা দূর করে। ব্রতকথাটিতে বিষ্ণুভক্তি, দানশীলতা এবং ক্ষতিকর আচরণ পরিহারের আধ্যাত্মিক প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মূল তথ্য

পক্ষ
শুক্ল পক্ষ
চন্দ্র মাস
আশ্বিন
পালিত হয়
শুক্ল পক্ষের একাদশ তিথি
দেবতা
ভগবান বিষ্ণু, ভগবান কৃষ্ণ

গল্প

পাপাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য সাধারণত একটি কথোপকথন হিসেবে বর্ণিত হয়, যেখানে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে এই ব্রতের কথা ব্যাখ্যা করেন এবং এর ধর্মীয় পুণ্য বর্ণনা করেন। কিছু জনপ্রিয় পুনর্কথনে দৃষ্টান্তমূলক উপাদান যুক্ত করা হয়, তবে সব সংস্করণে কোনো একক নির্দিষ্ট প্রধান চরিত্র থাকে না।

রীতিনীতি

  • ভক্তরা বিষ্ণুর পূজা করেন, প্রার্থনা পাঠ করেন এবং তাদের প্রথাগত উপবাস পালন করেন। দানধ্যান এবং নিজের আচরণের পর্যালোচনা এই দিনের ব্যাখ্যার সাধারণ বিষয়।

সাধারণ প্রশ্ন

পাপাঙ্কুশা একাদশী কবে পালিত হয়?
পাপাঙ্কুশা একাদশী আশ্বিন শুক্ল পক্ষের একাদশ তিথিতে (একাদশী) পালিত হয়।

একাদশী-এর প্রকারভেদ